থ্রেডিং কি ও কিভাবে করবেন? আজকের আলোচনার বিষয়। থ্রেডিং (Threading) কি ও কিভাবে করবেন? ক্লাসটি আমাদের বিউটিশিয়ান প্রশিক্ষণ কোর্সের অংশ। থ্রেডিং (Threading) কি ও কিভাবে করবেন ক্লাসটি সহ বিউটিশিয়ান প্রশিক্ষণ কোর্সটি(Beautifican Training Course) “উজ্জ্বলা (Ujjwala)” ও “লাইফস্টাইল গুরুকুল (Lifestyle Gurukul)” যৌথভাবে আয়োজন করছেন।
থ্রেডিং কি ও কিভাবে করবেন?
থ্রেডিং বা লোম তোলা সৌন্দর্য সচেতনদের কাছে বেশ পরিচিত। ভ্রু’র গঠন সুন্দর করে তুলতে বা ঠোঁটের উপরের অবাঞ্ছিত লোম দূর করতে এর কদর সব চেয়ে বেশি।
রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে থ্রেডিং’য়ের কিছু টুকিটাকি দিক তুলে ধরা হয়। টুইজার বা সুতা দিয়ে ভ্রু বা মুখের অবাঞ্ছিত লোম দূর করার ক্ষেত্রে বেশ পরিচিত। এই মাধ্যম সম্পর্কে অনেকেরই কিছু ধারণা রয়েছে। এখানে সেসব বিষয়ই তুলে ধরা হল।

– অবাঞ্ছিত লোম দূর করার জন্য অন্যতম পরিচিত মাধ্যম ওয়াক্সিং’য়ের লনায় থ্রেডিং বেশ সুবিধাজনক। কারণ থ্রেডিং’য়ে আলাদা করে একটি একটি লোম ওঠানো হয়। এতে করে ভ্রু’র শেইপ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। তাই ভ্রু’র গঠন ঠিক রাখতে ওয়াক্সিং’য়ের তুলনায় থ্রেডিং বেশি সুবিধাজনক।
– ওয়াক্সিং’য়ের ক্ষেত্রে এর আঠালো অংশ ত্বকের সঙ্গে লেগে থাকে এবং টেনে তোলার সময় লোমের সঙ্গে ত্বকেও টান লাগে। যা ত্বকের জন্য বেশ ক্ষতিকর। কারণ চোখের ভ্রু’র আশপাশের ত্বক অনেক নরম ও পাতলা হয়। ওয়াক্সিং করার ফলে চামড়া উঠে আসতে পারে। এ সব দিক চিন্তা করলে থ্রেডিং কম ঝুঁকিপূর্ণ।
– থ্রেডিংয়ের মাধ্যমে লোম গোড়া থেকে টেনে তোলা হয়। তাই দুই থেকে আড়াই সপ্তাহ পর্যন্ত ভ্রু’র আকার বেশ সুন্দর থাকবে।
– থ্রেডিং’য়ের তুলনায় ওয়াক্সিং বেশ ঝামেলার এবং ঝুঁকিপূর্ণ। দক্ষ হাতে করানো না গেলে ওয়াক্সিংয়ের সময় চামড়াও উঠে আসতে পারে। এই ধরনের কোনো ঝুঁকি থ্রেডিংয়ে নেই, তাই এটি বেশ নিরাপদ।
– ওয়াক্সিংয়ের ক্ষেত্রে লোমের দৈর্ঘ্য কিছুটা বড় না হলে তা উঠে আসে না। থ্রেডিংয়ের ক্ষেত্রে এমন কোনো ঝামেলা নেই। যেকোনো আকারের লোম এই প্রক্রিয়ায় টেনে তোলা যায়।
